skip to main |
skip to sidebar
যারা বলছেন শাস্তি বাড়াবার জন্য আপীল করবার সুযোগ নেই তাদের বলছি!! গনজোয়ার কখনো আইনের মারপ্যাঁচের কাছে হেরে জেতে পারে না।
অনেকেই বলছেন শাহবাগের আন্দোলন বৃথা যাবে।কারন,শাস্তি বাড়াবার জন্য আপীল করবার সুযোগ নেই । আসলে ব্যাপারটা এরকম নয়।
কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে ৬টি অভিযোগের মধ্যে ৫টি অভিযোগ প্রমানিত
হয়েছে।কিন্তু পল্লব হত্যা মামলায় রাস্ট্রপক্ষ কোনও কিছুই প্রমান করতে
পারেনি।রাস্ট্রপক্ষের আইনজীবীদের অযোগ্যতা এর পিছনে কাজ করছে ।
এ মামলার জন্য সরকার কাদের মোল্লাকে বেকসুর খালাস দেয়! সরকারপক্ষ এই
মামলাকে আমলে নিয়ে আপীল করতে পারে।খুব সম্ভবত ,এই আইনে শাস্তি বৃদ্ধি করবার
জন্য আপীল করবার সুযোগ না থাকলেও,বেকসুর খালাস এর বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে।
এছাড়া, "সংবিধানের ১০৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, আপিল বিভাগ “সম্পূর্ণ
ন্যায়বিচারের” জন্য যেরূপ প্রয়োজন, সেরূপ নির্দেশ, আদেশ, ডিক্রি বা রিট
জারি করতে পারবেন।’'
এর আগে দুটি বিতর্কিত মামলার রায়ে আপিল বিভাগ বলেছিল, তাঁরা ‘সম্পূর্ণ
ন্যায়বিচারের’ জন্য প্রয়োজনে যে কারও আপিল আবেদনের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিতে
পারবেন। এর থেকে বোঝা যায় আপীল বিভাগ প্রয়োজনে বিশেষ বিবেচনায় শাস্তি
বৃদ্ধি করতে পারেন।এই এখতিয়ার আপীল বিভাগের আছে।
যাই হক,সরকার যদি সদয় থেকে আপীল করেন তাহলে ভাল।কিন্তু ,সরকার যদি পরে
বলে,শাস্তি বৃদ্ধির জন্য আপীল করবার সুযোগ নেই তখন যেন শাহবাগের যোদ্ধারা
হতাশ না হয়। তারা যেন আন্দোলন ছেড়ে ঘরে ফিরে না আসে।পরবর্তী , প্রজন্মের
কাছে কি জবাব দিবে তখন তারা? গনজোয়ার কখনো আইনের মারপ্যাঁচের কাছে হেরে জেতে পারে না।যোদ্ধারা হতাশ হয়ো না। যুদ্ধ, তোমরা চালিয়ে যাও।
পৃথিবীর সবদেশে যুদ্ধাপরাধীদের কঠিন শাস্তি হয়েছে ।আমাদের দেশেও তাই হওয়া উচিত।উইনস্টন
চার্চিল বলেছিলেন, যুদ্ধাপরাধীর বিচার পাওয়ার অধিকার নেই। আমরাও তাই বলি।
কিন্তু তারপরও আমরা তাদের বিচারের মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছি। আমরা উদার জাতি আমরাও তাদের এই সুযোগ দিয়েছি।কিন্তু,আমরা তাদের এই সুযোগের অপব্যবহার করতে দিতে পারি না। 
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন